History

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ

পদ্মা বড়াল নদী বিধৌত রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলায় নারী শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে এলাকার কতিপয় শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিবর্গের উদ্যোগে উপজেলা সদর ও চারঘাট পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৯৫ সালে চারঘাট মহিলা কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম ব্যাচে ৮৬ জন ছাত্রী এবং ১৯ জন তরুন ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষক কর্মচারী নিয়ে দক্ষ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে কলেজটি যাত্রা শুরু করে। শুরুতে কলেজটির কোন স্থায়ী ভবন না থাকায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রমেকার অব্যবহৃত পাট গোডাউনে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলতে থাকে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ জনাব মোঃ জহুরুল ইসলাম ও তাঁর পরিবার বর্গের দানকৃত জমিতে কলেজের স্থায়ী ভবন নির্মিত হয়। ১৯৯৭ সালের কলেজটি অস্থায়ী ক্যাম্পাস ছেড়ে বর্তমানের স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। এদিকে কলেজ প্রতিষ্ঠার যথার্থতা বিবেচনা করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড রাজশাহী ১৯৯৬ সালে অনুমোদন দেয়। ১৯৯৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী সফরকালে উপজেলার আওয়ামীলীগ নেতাদের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে কলেজটি এমপিওভুক্তির প্রতিশ্রুতি দেন। উক্ত প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উদ্যোগে কলেজটি ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত হয়। কলেজটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল যথেষ্ট ভাল।
এমতাবস্থায় উচ্চ শিক্ষা সম্প্রসাণের লক্ষ্যে এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিবর্গের পরামর্শে ২০০০ সালে অত্র কলেজটি ডিগ্রি পর্যায়ে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং সেই লক্ষ্যে সরকারি বিধি মোতাবেক কলেজের ভৌত অবকাঠোমো সম্প্রসারণ ও শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। কলেজটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুসৃত সকল শর্তাবলী যথাযথভাবে পূরণ করায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গত ০৩/০৭/০৫ তারিখে (অধিভ’ক্তি) ডিগ্রি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। যার স্মারক নং ১৭ (র-৭৪৬) জাতীঃ বিঃ/কঃ পঃ/৫০৫০। অত্র প্রতিষ্ঠানটি ডিগ্রি কলেজ হিসেবে অধিভ’ক্ত হলেও সরকারি আদেশ (জি.ও) না হওয়ায় ডিগ্রি পর্যায়ে নিয়োগকৃত শিক্ষক কর্মচারীগণ এমপিওভ’ক্ত হয়নি। শিক্ষাবান্ধব বর্তমান সরকার অচিরেই সরকারি আদেশ (জি.ও) প্রদান করে ননএমপিও শিক্ষক কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান করবেন এমন প্রত্যাশা আমাদের সকলের।